ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধের ৩১৩ জন সাহাবী আলাইহিস সালাম উনাদের পবিত্র নাম মুবারক জানুন……….

12118726_1692222581010374_4794244714532310308_n

হযরত ছাহাবী কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের লক্বব উনাকে পুরোপুরি লিখলে পুরো যিন্দীগি শেষ হয়ে যাবে কিন্ত লেখা চলতেই থাকবে বরং কলম হাত থেকে পড়বে না। সুবহানাল্লাহ। যতদিন আছি দুনিয়াতে ততদিন উনাদের লক্বব মুবারক পুরোপুরি লিখে যাবো ইনশা অল্লাহ, ইয়া মহান মালিকে আযম উনার সম্মানাথে সকল কে বুঝর এবং আদব অনুযায়ী লেখার তাওফীক দান করুন … আমীন।

Continue reading

Advertisements

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মর্যাদা-মর্তবা, ফাযায়িল-ফযীলত, শান-শওকত মুবারক সম্পর্কে অবগত হও।’

হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা হলেন, হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের পর সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদার অধিকারী। তাই সকল মুসলমান উনাদের জন্য দায়িত্ব কর্তব্য হচ্ছে- পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাসসহ সারা বৎসর হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের ফাযায়িল-ফযীলত ছানা-সিফত মুবারক বর্ণনা করা ও উনাদের প্রতি মুহব্বত প্রকাশ করা।

যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র মুহররম শরীফ মাসসহ সারা বৎসরই হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের ফাযায়িল-ফযীলত ও ছানা-সিফত মুবারক বর্ণনা করা ও উনাদের মুহব্বত প্রকাশ করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য। তবে বিশেষভাবে পবিত্র মুহররম শরীফ মাসে উনাদের ফাযায়িল-ফযীলত ও ছানা-সিফত মুবারক বর্ণনা করা ও মুহব্বত প্রকাশ করতে বলার Continue reading

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি ও উনার হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপর ছলাত পাঠ করেন।

হে ঈমানদারগণ! তোমরাও উনার প্রতি ছলাত ও সালাম পাঠ কর অত্যন্ত আদব ও শরাফতের সাথে।’ পবিত্র মীলাদ শরীফ নতুন কোনো বিষয় নয়; বরং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারাই পবিত্র মীলাদ শরীফ উনার মজলিস করেছেন। যা অসংখ্য পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের দ্বারা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত। অতএব, পবিত্র মীলাদ শরীফ উনাকে অস্বীকার করা মূলত পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাকে অস্বীকার করা যা কাট্টা কুফরী এবং জাহান্নামী হওয়ার কারণ।যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, যামানার মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুল আউলিয়া, ইমামুল আইম্মাহ, কুতুবুল আলম, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার ‘পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ’ উনার ৫৬ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক ফরমান, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি ও উনার হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপর ছলাত পাঠ করেন। হে ঈমানদারগণ! তোমরাও উনার প্রতি ছলাত ও সালাম পাঠ কর পাঠ করার মতো।” বস্তুত বান্দার প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে সরাসরি নির্দেশ মুবারক হচ্ছে তারাও যেন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ছলাত ও সালাম পাঠ করেন অত্যন্ত আদব ও শরাফতের সাথে।

Continue reading

হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ উনাদের দৃষ্টিতে সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, ঈদে আকবর, পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার গুরুত্ব ও ফযীলত

(১)
খলীফাতু রসুলিল্লাহ হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম বলেন –
“যে ব্যক্তি হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মীলাদ শরীফ পাঠ (মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপলক্ষ্যে এক দিরহাম ব্যয় করবে সে জান্নাতে আমার বন্ধু হয়ে থাকবে।” (সুবহানাল্লাহ্‌) (আন্‌ নি’মাতুল কুবরা)
(২)
আমীরুল মু’মিনীন হযরত উমর আলাইহিস সালাম বলেন –
“যে ব্যক্তি মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে (বিলাদত দিবসকে) বিশেষ মর্যাদা দিল সে মূলতঃ ইসলামকেই পূনরুজ্জীবিত করল।“ (সুবহানাল্লাহ্‌) (আন্‌ নি’মাতুল কুবরা)
(৩)
আমীরুল মু’মিনীন হযরত ওসমান আলাইহিস সালাম বলেন –
“যে ব্যক্তি মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষ্যে এক দিরহাম খরচ করল সে যেন বদর ও হুনায়েন যুদ্ধে শরীক থাকল।” (সুবহানাল্লাহ্‌) (আন্‌ নি’মাতুল কুবরা)
(৪)
আমীরুল মু’মিনীন হযরত আলী আলাইহিস সালাম বলেন –
“যে ব্যক্তি মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার প্রতি বিশেষ মর্যাদা প্রদান করল সে ব্যক্তি অবশ্যই ঈমান নিয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নিবে এবং বিনা হিসেবে জান্নাতে প্রবেশ করবে।” (সুবহানাল্লাহ্‌) (আন্‌ নি’মাতুল কুবরা)

ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ- উনার মজলিস হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনাদের যামানাতেই ছিলো

বর্তমানে আমরা যেভাবে মজলিস করে ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মাহফিল করে থাকি তা খোদ মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যামানা এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনাদের যামানাতেই ছিলো।

যেমন এ সম্পর্কে হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে-

عن ابن عباس رضى الله تعالى عنهما انه كان يحدث ذات يوم فى بيته وقائع ولادته صلى الله عليه وسلم لقوم فيستبشرون ويحمدون الله ويصلون عليه صلى الله عليه وسلم فاذا جاء النبى صلى الله عليه وسلم قال حلت لكم شفاعتى.

অর্থ: “হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমা উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, একদা তিনি বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করে উনার নিজগৃহে ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে সমবেত করে মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফ-এর ঘটনাসমূহ শুনাচ্ছিলেন। এতে শ্রবণকারীগণ আনন্দ ও খুশি প্রকাশ করছিলেন এবং মহান আল্লাহ পাক উনার প্রশংসা তথা তাছবীহ-তাহলীল পাঠ করছিলেন এবং আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপর (ছলাত ও সালাম তথা) দুরূদ শরীফ পাঠ করছিলেন। এমন সময় রসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথায় উপস্থিত হয়ে বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করতে দেখে বললেন, আপনাদের জন্য আমার শাফায়াত ওয়াজিব।” (কিতাবুত তানবীর ফী মাওলিদিল বাশীর ওয়ান নাযীর, ছুবুলুল হুদা ফী মাওলিদে মুস্তফা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)

Continue reading

সুমহান ঐতিহাসিক ২০শে জুমাদাল উখরা-সাইয়্যিদাতুন নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবিহা হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ-এর দিন।

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, ‘হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি মহিলাগণ উনাদের সাইয়্যিদাহ।’ সারাবিশ্বের মুসলিম উম্মতের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার সম্মানার্থে মাসব্যাপী উনার আলোচনা অর্থাৎ ওয়াজ শরীফ, মীলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম শরীফ এবং দোয়ার মাহফিলের আয়োজন করা।যাতে মুসলমান উনার সম্পর্কে জেনে উনাকে মুহব্বত, তা’যীম, তাকরীম ও অনুসরণ-অনুকরণ করে মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের হাক্বীক্বী রেযামন্দি ও সন্তুষ্টি হাছিল করে ইহকাল ও পরকালে কামিয়াবী হাছিল করতে পারে।
আর সরকারের জন্যও দায়িত্ব এবং কর্তব্য হচ্ছে- মাহফিল সমূহের সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে উনার জিবনী মুবারক সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করা এবং উনার বিলাদত শরীফ দিবসে সরকারী ছুটি ঘোষণা করা।

Continue reading

হযরত উম্মুহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম – উনাদের ফযীলত (সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ উনার মাহফিল)

১২ ই শরীফ

১২ ই শরীফ

السلام عليكم و رحمة الله

    الحمد لله، الحمد لله نحمده و نستعين و نستغفره و نؤمن به و نتوكل عليه و نعوذ با لله من شرورأنفسنا و من سيئات أعمالنا من يهدى الله فلا فلا مضل له و من يضلله فلا هادي له و نشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له و نشهد أن سيدنا و نبينا و شفيعنا و حبيبنا و مولانا محمدا صلى الله عليه و سلم أما بعد، فأعوذ با لله من الشيطان الرجيم بسم الله الرحمن الرحيم إن الله و ملائكته يصلون على النبى يا أيها الذين آمنوا صلوا عليه و سلموا تسليما أللهم صل على سيدنا و نبينا شفيعنا حبيبنا و مولانا  وسيلتى إليك و آله و سلم و على أرشد أولاده شيخنا و     مرشدنا عليه السلام و على أهل بيته عليهم السلام–

মামদুহ হযরত মুরশিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম এবং উনার সম্মানিত আহলে বায়ত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের কদম পাকে ফয়েজ, তাওয়াজ্জুহ ও  দয়া ইহসান আর্জু করে আমি আলোচনা শুরু করছি । আমার আলোচনার বিষয়বস্তুু হচ্ছে উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম-উনাদের ফাযায়েল ফযীলত। বিষয়টির গুরুত্ব হিসাবে ইতিপূর্বেও অনেক বার আলোচিত হয়েছে ।

Continue reading